শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৭:৩০ পিএম, ২০২২-১২-১৫
আশরাফুল আলম আইয়ুব, (গাজীপুর): একটানা চার দিন যুদ্ধ শেষে পাক-হানাদাররা মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। এতে নিহত হয় প্রায় শতাধিক পাক সেনা।
বিজয়ের একদিন আগে এ এলাকা হানাদার মুক্ত হলেও তারা আগুন জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেয় বহু গ্রাম, নির্বিচারে হত্যা করে শত শত মানুষকে আর ইজ্জত কেড়ে নেয় অনেক মা-বোনের। ওই সময় অনেকেই মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও পুত্র-কন্যা হারা হয়েছিলো।
মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুর রহমান, বাতেন মোল্লাহ্, মো. নুরুজ্জামান লিয়াকত, আতাউর রহমান মাস্টার ও কালীগঞ্জ থানার তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদরুজ্জামান খসরুর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টঙ্গী থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত তখন একমাত্র রেলপথ ছাড়া যোগাযোগের আর কোনো মাধ্যম ছিল না। তাই পাক বাহিনী সর্বশেষ তাদের ঘাঁটি স্থাপন করে পুবাইল রেল স্টেশন ও তার আশপাশসহ পূর্ব দিকে কালীগঞ্জের সীমানা বালু নদীর ব্রিজ পর্যন্ত এলাকা জুড়ে। ফলে ওই এলাকার বহু গ্রাম আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় পাক সেনারা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কালীগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার বাড়িয়া ইউনিয়নের বাড়িয়া গ্রামটি।
পাক হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহযোগিতায় ওই গ্রামে ঢুকে শতাধিক নারী পুরুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। এর প্রধান কারণ ছিল-গ্রামটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। এ ছাড়া চারিপাশের ভাদুন, ছোট কয়ের, সোড়ল, নয়ানীপাড়া, সাপমাড়া, পুবাইল, পিপুলিয়া বড়াদল, খিলগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এভাবে বিজয়ের ২ মাস আগ থেকে শুরু হয় কালীগঞ্জ, পুবাইল এলাকায় পাক-হানাদারদের বর্বর অত্যাচার, হত্যা ও জ্বালাও-পোড়াও। ওই সব নির্যাতনের শেষ হিসেবে ১১ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় মিত্র বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় নরসিংদী থেকে রেলযোগে কালীগঞ্জে ঢুকতে শুরু করে। ১২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় এই এলাকায় সরাসরি যুদ্ধ।
১৪ ডিসেম্বর কালীগঞ্জের বান্দাখোলা এলাকা থেকে গ্রুপ কমান্ডার বদরুজ্জামান খসরু এবং উপজেলার বিভিন্নস্থানে দায়িত্বে থাকা আলী হোসেন, খন্দকার মুঞ্জু, আজিজ, বাতেন মোল্লার গ্রুপ ও রূপগঞ্জের একটি দল ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে একত্র হয়ে পুবাইলে পাক বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়। পরে মুক্তি ও মিত্র বাহিনী স্থায়ীভাবে পাক হানাদার বাহিনীকে মোকাবেলা করার জন্যে অবস্থান নেয় কালীগঞ্জের নলছাটায়।
এদিকে গ্রুপ কমান্ডার বাতেন ও মুজিবুর রহমানের দল অবস্থান নেয় নলছাটা থেকে বাড়িয়া হয়ে তিতারকুল পর্যন্ত এলাকা জুড়ে। তারা জয়দেবপুর অর্ডিন্যান্সে অবস্থানরত পাক সেনাদের প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে ওঁৎ পেতে থাকেন। ওই অবস্থায় একটানা চারদিন মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর মর্টার শেল ও তোপ কামানের আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত করে দেয় পাক সেনাদের পুবাইল ঘাঁটি। এতে নিহত হয় প্রায় শতাধিক পাক সেনা। পরে ১৬ ডিসেম্বর সকালে পাক সেনারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। গাজীপুরের অন্যান্য এলাকা ১৫ ডিসেম্বর মুক্ত হলেও কার্যত আজকের এই দিনে মুক্ত হয় পুরো গাজীপুর।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited